রতুয়ার বাখড়া এলাকায় পুনঃ নির্বাচনে দুষ্কৃতিদের বুথ দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল রতুয়া ব্লকের বাখড়া এলাকায়। জানা যায়, এই এলাকায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুনঃ নির্বাচন শুরু হয় বাখড়া এলাকায়। সেই মতো এদিন যথারীতি নির্বাচন শুরু হয়। কিন্তু অভিযোগ নির্বাচন শুরু হতেই বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেশ কিছু দুষ্কৃতি বিভিন্ন বুথে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শুরু হয়ে যায় বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার কাজ। যদিও ঘটনার খবর পেয়ে বেশ কিছুক্ষণ পর ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয় পুনরায় নির্বাচন। কিন্তু ঘটনার পর দেখা মেলেনি ভোট কর্মীদের। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে।
তবে শুধু রতুয়ার বাখড়া এলাকায় নয়, মালদা জেলার ৫৫ টি বুথের মধ্যে মানিকচকের নুরপুর, রতুয়ার বাহারাল, বৈষ্ণব নগরের বিভিন্ন বুথে নির্বাচন শুরু হতেই হামলা চালায় দুষ্কৃতিরা। বোমাবাজি থেকে মারধর, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাপীয়ে বেড়ানো সমস্ত ক্ষেত্রেই দেখা গেল নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত ভোট কর্মীদের জন্য নিরাপত্তার অভাব। কেউ প্রান ভয়ে বুথ ছেড়ে পালাল নয়তো কোথাও আবার দুষ্কৃতিদের হাতে মার খেতে হল ভোট কর্মীদের। এদিকে রতুয়ার বাহারালে বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি সহ আর.এস.পি-র বিরুদ্ধে। মোট কথা নির্বাচন কমিশনের পুনঃনির্বাচনেও একই অবস্থা বহাল রইল জেলার বিভিন্ন বুথে বুথে। নির্বাচনের দিন পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু পরিবর্তন হয়নি ভোটার থেকে ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার সেই বেহাল দশার। যার কারনে পুনরায় দুষ্কৃতিদের হাতে আক্রমণের শিকার হতে হল ভোট কর্মী থেকে ভোটারদের।
এই ঘটনায় বুথের এক প্রিসাইডিং অফিসার জানান, নির্বাচন শুরু হতেই দুষ্কৃতিরা হামলা চালায়। তারা অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে প্রানে বাচেন। সেই সময় ছাপ্পা ভোট হয়েছে কিনা তা তিনি জানেন না। তবে এই বুথ দখলে কোন দল জড়িত তা তিনি বলতে পারেননি। তারা শুধু নিরাপত্তার অভাবে প্রান ভয়ে বুথ ছেড়ে পালিয়ে যান বলে দাবী করেন।
এদিকে এই ঘটনায় এলাকার এক তৃণমূল নেতা মহম্মদ ইয়াসিন অভিযোগ করে বলেন, রতুয়ার কাহালায় বিজেপি, আর.এস.পি. কংগ্রেস, সিপিএম সকলে মিলে ঝাড়খন্ড থেকে মাস্কেট বাহিনী নিয়ে এসে বুথ দখল করছে। সেই সঙ্গে ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে
https://www.youtube.com/embed/gySdj2VZSMk